ডাঃ এম. আখতার হোসেন হলেন ঢাকা জেলার অন্যতম অভিজ্ঞ ভাসকুলার সার্জন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিবিএস (ডিএমসি), এমএস (সিভিটিএস), ফেলো (ডব্লিউএইচও), কার্ডিয়াক (বিটিং হার্ট সিএবিজি এবং টোটাল আর্টেরিয়াল সিএবিজি) সার্জন, সিনিয়র কনসালট্যান্ট এবং চিফ কার্ডিয়াক সার্জন (কার্ডিয়াক সার্জারি) -আসগর আলী হাসপাতাল, ঢাকা।। তিনি ঢাকা এর ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের একজন সুপরিচিত সিনিয়র কনসালটেন্ট। ঢাকা এবং আশেপাশের জেলার রোগীরা সঠিক রোগ নির্ণয়, ভালো সেবা এবং আধুনিক চিকিৎসার জন্য তাঁর উপর আস্থা রাখেন।
ঢাকা এর একজন শীর্ষস্থানীয় কার্ডিও সার্জন হিসেবে ডাঃ এম. আখতার হোসেন হৃদযন্ত্র ও বক্ষসংক্রান্ত বিভিন্ন জটিল সমস্যার নির্ণয় ও চিকিৎসায় বিশেষ দক্ষ, যেমনঃ করোনারি আর্টারি ডিজিজ (CAD), হার্ট ভালভ রোগ, জন্মগত হৃদরোগ, অ্যাওর্টিক অ্যানিউরিজম ও অ্যাওর্টিক ডিসেকশন, ফুসফুসের ক্যান্সার, মিডিয়াস্টাইনাল টিউমার, খাদ্যনালীর ক্যান্সার (ইসোফেজিয়াল ক্যান্সার), বক্ষ আঘাত (Chest Trauma), পেরিকার্ডিয়াল রোগ, জটিল ফুসফুসের রোগ।
কেন ডাঃ এম. আখতার হোসেন কে বেছে নেবেন?
ঢাকা এর সবচেয়ে অভিজ্ঞ ভাসকুলার সার্জন
নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা
ঢাকা জেলার সর্বাধিক বিশ্বস্ত ও সুনামধন্য
রোগীদের ইতিবাচক রিভিউপ্রাপ্ত কার্ডিও সার্জন
কার্ডিওলজিক্যাল ও বুকের রোগসমূহে সঠিক চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি ঢাকা এর সেরা ভাসকুলার ও থোরাসিক সার্জন খুঁজে থাকেন, তবে অভিজ্ঞ ভাসকুলার সার্জন ডাঃ এম. আখতার হোসেন এর চিকিৎসা নিন।
ভাস্কুলার সার্জন কোন কোন রোগের চিকিৎসা করেন?
একজন ভাস্কুলার সার্জন (Vascular Surgeon) রক্তনালী সম্পর্কিত রোগের চিকিৎসা ও অপারেশন করেন। তারা শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং রক্তনালীর ব্লক, ফোলা বা ক্ষত সারাতে কাজ করেন।
ধমনীর রোগসমূহ
- পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ
- ধমনীর ব্লক বা সংকোচন
- পায়ে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া
- ক্যারোটিড আর্টারি স্টেনোসিস (স্ট্রোকের ঝুঁকি)
- অ্যানিউরিজম (রক্তনালী ফুলে ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি)
শিরার রোগসমূহ
- ভ্যারিকোজ ভেইন (পায়ের শিরা ফুলে যাওয়া)
- ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস
- শিরায় রক্ত জমাট বাঁধা
- ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিশিয়েন্সি
- পায়ে ফোলা ও ব্যথা
ডায়াবেটিসজনিত রক্তনালীর সমস্যা
- ডায়াবেটিক ফুট
- পায়ে ঘা বা আলসার
- রক্ত চলাচল কমে গ্যাংগ্রিন
- অঙ্গ কেটে ফেলার ঝুঁকি
জরুরি ও জটিল রক্তনালীর সমস্যা
- রক্তনালী ফেটে যাওয়া
- তীব্র রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়া
- ট্রমাজনিত ভাস্কুলার ইনজুরি
- রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ
ভাস্কুলার সার্জারি ও চিকিৎসা পদ্ধতি
- অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি
- বাইপাস সার্জারি
- ভ্যারিকোজ ভেইন অপারেশন
- স্টেন্ট বসানো
- মিনিমালি ইনভেসিভ ভাস্কুলার সার্জারি
কখন ভাস্কুলার সার্জনের পরামর্শ নেবেন?
নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত একজন ভাস্কুলার সার্জনের পরামর্শ নেওয়া উচিতঃ
- হাঁটার সময় পায়ে ব্যথা বা টান লাগলে
- পায়ের শিরা ফুলে গেলে
- পায়ে দীর্ঘদিন ঘা না শুকালে
- পা ঠান্ডা বা নীল হয়ে গেলে
- হঠাৎ হাত বা পায়ে রক্ত চলাচল কমে গেলে
- ডায়াবেটিসের কারণে পায়ে জটিলতা হলে