সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ ফাহিমা আফরোজ হলেন ঢাকা জেলার একজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ গাইনোকোলজিস্ট। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিবিএস (ঢাকা), এমআরসিওজি (লন্ডন), সহযোগী অধ্যাপক (গাইনী এবং অবস), (এএমএমসি), কনসালটেন্ট (গাইনী এন্ড অবস)। তিনি ঢাকা এর গাইনোকোলজি বিভাগের একজন সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। সঠিক রোগ নির্ণয়, আন্তরিক সেবা এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা এবং আশেপাশের জেলার রোগীরা তাঁর ওপর আস্থা রাখেন।
ঢাকা জেলার একজন শীর্ষস্থানীয় গাইনোকোলজিস্ট হিসেবে সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ ফাহিমা আফরোজ নারীদের গাইনোকোলজিক্যাল বিভিন্ন সমস্যার চিকিৎসা করেন। তিনি যেসব রোগের চিকিৎসা করেন, তার মধ্যে রয়েছে: বন্ধ্যাত্ব, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম, অনিয়মিত মাসিক, এন্ডোমেট্রিওসিস, জরায়ুর ফাইব্রয়েড, ডিম্বস্ফোটনজনিত সমস্যা, পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ, নারীদের হরমোনজনিত সমস্যা, বারবার গর্ভপাত, মেনোপজ ও পেরিমেনোপজের সমস্যা।
কেন সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ ফাহিমা আফরোজ কে বেছে নেবেন?
ঢাকা এর অন্যতম অভিজ্ঞ প্রসূতি বিশেষজ্ঞ
সঠিক রোগ নির্ণয় ও সর্বোত্তম চিকিৎসা
ঢাকা এর বিশ্বস্ত ও সুপরিচিত গাইনোকোলজি বিশেষজ্ঞ
রোগীদের দ্বারা সুপারিশকৃত প্রসূতি বিশেষজ্ঞ
গাইনোকোলজি সম্পর্কিত রোগের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি ঢাকা এর সেরা গাইনোকোলজিস্ট খুঁজে থাকেন, তবে ভালো চিকিৎসার জন্য সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ ফাহিমা আফরোজ এর মতো একজন অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত গাইনোকোলজিস্ট ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ বেছে নিন।
গাইনোকোলজিস্ট ও বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ কোন কোন রোগের চিকিৎসা করেন?
একজন গাইনোকোলজিস্ট ও বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ (Gynecologist & Infertility Specialist) নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, গর্ভধারণ সমস্যা এবং বন্ধ্যাত্বজনিত রোগের চিকিৎসা করেন। তারা নারী ও দম্পতিদের সন্তান ধারণে সহায়তা এবং গাইনী রোগের আধুনিক চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ।
নারীদের সাধারণ গাইনী রোগসমূহ
- অনিয়মিত মাসিক
- অতিরিক্ত মাসিক রক্তপাত
- তলপেটে ব্যথা
- সাদা স্রাব
- যোনিপথে সংক্রমণ
- হরমোনজনিত সমস্যা
বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যা
- দীর্ঘদিন সন্তান না হওয়া
- ডিম্বাণু তৈরি না হওয়া (Ovulation Problem)
- ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লক
- বয়সজনিত বন্ধ্যাত্ব
- অজানা কারণে বন্ধ্যাত্ব
হরমোন ও ডিম্বাশয়ের সমস্যা
- PCOS (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম)
- ওভারিয়ান সিস্ট
- হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
- থাইরয়েডজনিত গর্ভধারণ সমস্যা
জরায়ুর রোগসমূহ
- ফাইব্রয়েড
- এন্ডোমেট্রিওসিস
- জরায়ুর ইনফেকশন
- জরায়ুর গঠনগত সমস্যা
- জরায়ুতে টিউমার
গর্ভধারণ ও প্রজনন চিকিৎসা
- ওভুলেশন ইনডাকশন
- IUI চিকিৎসা
- IVF বা টেস্ট টিউব বেবি
- ICSI চিকিৎসা
- ফার্টিলিটি কাউন্সেলিং
গর্ভপাত ও জটিলতা
- বারবার গর্ভপাত
- উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা
- গর্ভধারণে ব্যর্থতা
- গর্ভকালীন হরমোন সমস্যা
কখন গাইনোকোলজিস্ট ও বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ দেখাবেন?
নিচের সমস্যাগুলো দেখা দিলে একজন গাইনোকোলজিস্ট ও বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিতঃ
- ১ বছর চেষ্টা করার পরও সন্তান না হলে
- মাসিক অনিয়মিত হলে
- তলপেটে দীর্ঘদিন ব্যথা থাকলে
- বারবার গর্ভপাত হলে
- PCOS বা হরমোন সমস্যা থাকলে
- IVF বা টেস্ট টিউব বেবি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে