ডাঃ মোঃ মাহমুদুল হাসান মিঠু হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার একজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এফসিপিএস (সার্জারী) জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারী) জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক, কলোরেক্টাল ও ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ সার্জন বিএমডিসি রেজিঃ নং-এ- ৬০৮৫৪ তিনি নারায়ণগঞ্জ এর জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিভাগের একজন সুপরিচিত জুনিয়র কনসালটেন্ট। সঠিক চিকিৎসা ও নির্ভরযোগ্য সেবার জন্য নারায়ণগঞ্জ এবং আশেপাশের জেলার রোগীরা তাঁর ওপর আস্থা রাখেন।
নারায়ণগঞ্জ এর একজন শীর্ষস্থানীয় কোলোরেক্টাল সার্জন হিসেবে ডাঃ মোঃ মাহমুদুল হাসান মিঠু বিভিন্ন ধরনের জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি সংক্রান্ত চিকিৎসা দেন। তিনি যেসব সমস্যার চিকিৎসা করেন তার মধ্যে রয়েছে: পিত্তথলির পাথর, অ্যাপেন্ডিক্স, হার্নিয়া, পাইলস, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার, স্তনে গাঁট বা টিউমার, এনাল ফিশার, এনাল ফিস্টুলা, পেটের টিউমার বা সিস্ট, অগ্ন্যাশয় ও লিভারের কিছু রোগ, দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য বা অন্ত্রের বাধা।
কেন ডাঃ মোঃ মাহমুদুল হাসান মিঠু কে বেছে নেবেন?
নারায়ণগঞ্জ এর অন্যতম অভিজ্ঞ হার্নিয়া সার্জন
সঠিক রোগ নির্ণয় ও কার্যকর চিকিৎসা
নারায়ণগঞ্জ এ বিশ্বস্ত ও সুপরিচিত পাইলস সার্জন
রোগীদের দ্বারা সুপারিশকৃত অ্যাপেন্ডিক্স সার্জন
যেকোনো সার্জারির জন্য অভিজ্ঞ সার্জন প্রয়োজন। আপনি যদি নারায়ণগঞ্জ এর সেরা কোলোরেক্টাল সার্জন খুঁজে থাকেন, তবে ভালো চিকিৎসার জন্য ডাঃ মোঃ মাহমুদুল হাসান মিঠু এর মতো একজন অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত গলব্লাডার, হার্নিয়া ও পাইলস সার্জন বেছে নিন।
ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন কোন কোন রোগের চিকিৎসা করেন?
একজন ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন (Laparoscopic Surgeon) ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন অপারেশন করেন। এই পদ্ধতিকে মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি বলা হয়, যেখানে ব্যথা কম, রক্তক্ষরণ কম এবং দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়।
পিত্তথলির সার্জারি
- গলব্লাডারে পাথর
- গলব্লাডারের সংক্রমণ
- পিত্তথলির প্রদাহ
অ্যাপেন্ডিক্সের সার্জারি
- অ্যাপেন্ডিসাইটিস
- অ্যাপেন্ডিক্সে ইনফেকশন
- তীব্র পেটব্যথাজনিত অ্যাপেন্ডিক্স সমস্যা
হার্নিয়ার সার্জারি
- ইনগুইনাল হার্নিয়া
- নাভির হার্নিয়া
- ইনসিশনাল হার্নিয়া
- ফেমোরাল হার্নিয়া
পাকস্থলী ও অন্ত্রের সার্জারি
- গ্যাস্ট্রিক আলসারের জটিলতা
- অন্ত্রের ব্লক
- কোলন ও রেকটামের কিছু রোগ
- পেটের টিউমার
গাইনী ও নারীদের সার্জারি
- ওভারিয়ান সিস্ট
- ফাইব্রয়েড
- এন্ডোমেট্রিওসিস
- হিস্টেরেকটমি (জরায়ু অপারেশন)
স্থূলতা ও ওজন কমানোর সার্জারি
- ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি
- গ্যাস্ট্রিক বাইপাস
- স্লিভ গ্যাস্ট্রেকটমি
লিভার ও অন্যান্য জটিল সার্জারি
- লিভারের কিছু অপারেশন
- স্প্লিনের অপারেশন
- ডায়াগনস্টিক ল্যাপারোস্কপি
ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারির সুবিধা
- ছোট কাটা বা ছিদ্র
- কম ব্যথা ও কম রক্তক্ষরণ
- দ্রুত সুস্থ হওয়া
- হাসপাতালে কম সময় থাকতে হয়
- দাগ কম থাকে
কখন ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনের পরামর্শ নেবেন?
নিচের সমস্যাগুলো দেখা দিলে একজন ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনের পরামর্শ নেওয়া উচিতঃ
- গলব্লাডারে পাথর ধরা পড়লে
- হার্নিয়া হলে
- অ্যাপেন্ডিসাইটিসের লক্ষণ থাকলে
- দীর্ঘদিন পেটব্যথা বা পেটের টিউমার থাকলে
- গাইনী অপারেশনের প্রয়োজন হলে
- কম কাটা ও দ্রুত সুস্থ হওয়ার অপারেশন চাইলে